বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

খবরের শিরোনাম :
বিএনপি’র বিভাগীয় সমাবেশের দু’দিন আগেই রংপুরে পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষনা মটর মালিক সমিতি। ধর্মঘট উপেক্ষা করে রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার ঘোষনা বিএনপি’র, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ব্যবসার পরিবেশ দিয়েছি, আপনারা দেশের কথা ভাবুন— ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ প্রার্থীকে হারিয়ে জাপা নেতা জয়ী হারাগাছে মাদ্রাসার কাজ বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ বহিষ্কৃত সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে। সমাধান দিলো পুলিশ, হরিজন সেই কিশোরকে মিষ্টি খাওয়ানো হলো রংপুর সিটি নির্বাচনে মোস্তফাকে জাপার মেয়র প্রার্থী ঘোষণা রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুর রউফ মানিককে জাপা থেকে অব্যাহতি পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করায়, পরিবারের হয়রানি থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দম্পতি পাগলাপীর বাইক রাইডার্স এর মাধ্যমে নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ।
ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই আব্দুল জলিল

ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই আব্দুল জলিল

নিউজ ডেক্সঃ

ধর্ষিতাকে বিয়ের শর্তে জামিন পেয়েছেন কুড়িগ্রাম সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল।

বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এ আদেশ দেন।

পরে জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনে সাত লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেনমোহরে ওই নারীকে বিয়ে করেন পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজার রহমান আজু বলেন, বাদী-আসামির বিয়ের কাবিন দাখিল করার শর্তে আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২৩ জানুয়ারি ওই মামলায় এসআই আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে তিনি উচ্চ আদালতের রায়ে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ২০ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় ভাসুরের নামে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আব্দুল জলিল ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সুযোগে ওই নারীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ছিল তার। সে সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন পুলিশ সদস্য জলিল। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন ওই নারী।

ভুক্তভোগী ওই নারী (৪৩) বলেন, এতদিন আব্দুল জলিলের কাছে আমি স্ত্রীর স্বীকৃতি পাইনি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতে মামলা করার পর আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।

মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী মেহেদী হাসান মিলন বলেন, বিয়ের শর্তে আদালত এসআই জলিলকে জামিন দিলে সন্ধ্যায় তাদের বিয়ে পড়ানো হয়।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

© ২০১০-২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক মায়াবাজার.কম
Developed BY Rafi It Solution